হরিতকির উপকারিতা ও অপকারিতা
হরীতরী গাছ বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্রই দেখতে পাওয়া যায়। এ গাছ সচরাচর ৪০/৫০ ফুট উঁচু হয়। এর পাতাগুলো গোলাকার ডিমের মত, তবে কিছুটা লম্বাটে। জোড়া জোড়া পাতা সামনা সামনি সাজানো থা কে। ফুল আকারে ছোট এবং সাদা। চৈত্র থেকে বৈশাখ মাসের মধ্যে ফুল ফুটতে শুরু করে। তারপর ফল ধরে। শরৎকালে পাতা খসে পড়ে। শীতকালে গাছ পত্রহীন হয়ে যায়।
হরীতকী
অনেক শ্রেণীর হরীতকী দেখা যায়। তার মধ্যে বিশেষভাবে সাতটি শ্রেণী উল্লেখযোগ্য। এ গাছের গঠন এবং আকৃতি দেখে উদ্ভিদ বিজ্ঞানীরা শ্রেণী বিভাগ করেছেন।
(ক) চেতকী- এ হরীতকী দেখতে খুবই ছোট ও গায়ে শিরার সংখ্যা তিন।
(খ) জাবন্তী- এ হরতকী খুব ছোট, আবার বেশি বড়ও নয়। হরীতকীর গায়ে তিনটি শিরা থাকে।
(গ) অমৃতা- ভিতরটা শাঁসে ভরা এবং বীজের আকার ছোট হয়।
(ঘ) রোহিনী- এ হরীতকীর আকার সম্পূর্ণ গোল।
(ঙ) বিজয়া- হরীতকী দেখতে গোল লাউ-এর মত।
(চ) পুতনার- আগের দু'টির তুলনায় আকৃতিতে বেশ ছোট, কিন্তু ভিতরের বীজ বড় হয়।
(ছ) অভয়া- দেখতে ছোট হলেও ওজনে বেশ ভারী। গায়ের শিরাগুলো বেশ সুস্পষ্ট এবং পাঁচটি শিরা ভালভাবে বোঝা যায়। আকৃতি গোলাকার। যে সাতটি শ্রেণীর কথা বলা হল, এর ভেষজ উপাদানও বিভিন্ন ধরণের। কাজেই রোগ-আরোগ্যে ব্যবহার করার সময় ভাল করে দেখে ও জাত চিনে তবেই রোগীকে প্রয়োগ করতে হবে। এ নিয়ম পালন না করে প্রয়োগ করলে রোগীর ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।
হরীতকী ফলঃ হরীতকী-ফল কষায় প্রধান রস-বিশিষ্ট বটে; কিন্তু গুনাগুন হল এ ফল সর্ববিধ রোগ দূর করে।
হরীতকীঃ ঋতুভেদে ও অনুপানের ব্যবস্থা কবিরাজরা দিয়েছেন। ঐ সকল অনুপানের গুণ অনুসারে হরীতকীর গুণভেদ হয়ে থাকে।
অনুপান ভেদেঃ লবণসহ খেলে কফ, চিনির সাথে খেলে পিত্ত, ঘীর সাথে খেলে বাত রোগ ও গুড়ের সাথে খেলে সর্বরোগ বিনষ্ট হয়।
ঋতুভেদে অনুপান ভেদ, যথাঃ--
বর্ষায় সৈন্ধব লবনসহ সেবনীয় এক তোলা।
শরতে- চিনিসহ সেবনীয় এক তোলা।
হেমন্তে- শুঁঠ-চূর্ণসহ সেবনীয় এক তোলা।
শীতে- পিপল চূর্ণসহ সেবনীয় এক তোলা।
বসন্তে- মধুসহ সেবনীয় এক তোলা।
গ্রীষ্মে- গুড়সহ সেবনীয় এক তোলা।
কিন্তু আজকাল অনেকেই হরীতকী চিনেনা। উক্ত গুণাবলী লক্ষ্য করে হরীতকী রোগবিশেষে প্রয়োগ করে। সুতরাং রোগী কি করে উপকার পাবে? কবিরাজী শাস্ত্রে লেখা আছে, অমুক ব্যধিতে অমুক হরীতকী প্রয়োগ করতে হবে। সুতরাং যা হাতের কাছে পাওয়া যায়, তাইই কিনে ব্যবহার করলে ফলও সেরকম হয়।
চেতকী হরীতকী আবার দুই প্রকার
শুক্লা চেতকী ছয় অঙ্গুলি-পরিমিত এবং কৃষ্ণ চেতকী এক অঙ্গুলি-পরিমিত হয়ে থাকে।
আয়ুর্বেদীয় শাস্ত্রে লেখা আছে, উক্ত সাত প্রকার হরীতকী চিনার আর একটি উপায় হলঃ-
(২) কতকগুলো গন্ধ দ্বারা।
(১) কতকগুলো আস্বাদ গ্রহণ করে।
(৩) কতকগুলো স্পর্শ করে।
(৪) অন্যগুলো কেবল দেখেই চিনতে পারা যায়।
সকল হরীতকীর মধ্যে যে হরীতকী নতুন, স্নিগ্ধ কঠিন, গোলাকার, গুরু এবং যা পানিতে নিক্ষেপ করলে ডুবে যায়, এটাই অত্যন্ত গুণকারক।
উক্ত সাত প্রকার হরীতকীর মধ্যে বিজয়া-হরীতকী শ্রেষ্ঠ, কারণ এ হরীতকী সুখসেব্য, সুলভ্য ও সর্বরোগে হিতকর।
চিবিয়ে খেলে অগ্নিবৃদ্ধি হয়।
আবার সেবন ভেদে এর গুণভেদ হয়-
পিষে সেবন করলে মল শোধিত হয়।
ভেজে খেলে ত্রিদোষনাশ হয়।
সিদ্ধ করে খেলে মল সংগ্রহ করে।
অন্যদিকে আহারের সাথে খেলে বল,বুদ্ধি ও ইন্দ্রিয়ের বিকাশ হয়; পিত্ত, কফ নাশ করে ও মূত্র, পুরীষ, ক্লেদসমূহ বেরিয়ে যায়। আর খাওয়া শেষে হরীতকী সেবনে বায়ু, পিত্ত, কফ ও অম্লপানজনিত পীড়াসমূহ নিবারিত হয়।
হরীতকীর মজ্জায় মধুর রস, স্নায়ুতে অম্ল-রস বোঁটায় তিক্ত-রস, তুকে কটু রস ও অস্থিতে আঁটিতে কথায় রস থাকে এবং এ জন্যে এর উপকারিতা-
এতে অম্লরস থাকায় বাতরোগে উপকারী; মধুর তিক্তরস থাকায় পিত্তদোষে উপকারী, রুক্ষ কথায় বলে কয়ে খুব উপকারী। এরূপে এটি বাত, পিত্ত ও কফ ত্রিদোষের বিশেষ উপকারী।
১। গুড়ের সাথে হরীতকী সেবনে অর্শ, অম্ল, অজীর্ণ ও কোষ্ঠবদ্ধে উপকার হয়।
আয়ুর্বেদশাস্ত্র মতেঃ
২। ঘি এবং গুড়ের সাথে হরীতকী সেবনে পিত্তশূল আরোগ্য হয়।
৩। তিল তৈল কিংবা ঘি কিংবা মধু সহ হরীতকী চূর্ণ লেহনে রুগ্দাহ সন্নিপাতে বিশেষ উপকার হয়। ৪। অধিক মাত্রায় জায়ফল খাওয়ার জন্যে যদি মত্তাতা জন্মায়, তাহলে হরীতকী সেবন করতে হবে।
৫। হিক্কা হলে : গরম পানির সাথে রোগীকে হরীতকী চূর্ণ পান করাতে হবে।
৬। গুড়ের সাথে হরীতকী খেতে দিতে হয়।
৭। বাতরক্তেঃ গুড়ের সাথে হরীতকী সেবনে সকল রকমের বাতরোগের উপশম হয়।
৮। অর্শেঃ এক সপ্তাহকাল প্রতিদিন সকালে গুড়ের সাথে হরীতকী চূর্ণ খেলে অর্শরোগ সেরে যায়।
১০। পরমানির সাথে হরীতকীচূর্ণ সেবনে পক্কাতিসার প্রশমিত হয়।
৯। উদর রোগে হরীতকী বিশেষ উপকারী।
১১। সর্দিজনিত বমি বমি ভাব এলেঃ মধুর সাথে হরীতকী চূর্ণ লেহন করলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।
১২। হরীতকী গাওয়া ঘি ভিজিয়ে পেষণ করে চোখের বাইরের দিকে প্রলেপ দিলে সব রকমের চক্ষুরোগ আরোগ্য হয়।
১৪। ৩টি বা ৫টি হরীতকী, খাওয়া দাওয়ার পর গুলঞ্চ-লতার করলে উগ্র বাতরক্তও আরোগ্য হয়।
১৩। গুড়ের সাথে হরীতকী সেবনে শোথ আরোগ্য হয়।
১৫ । শূলযুক্ত অতিসারেঃ মধুর সাথে হরীতকী সেবনে আরোগ্য হয়।
১৬। বাসকের রসমিশ্রিত হরীতকীচূর্ণ ৫/৭ বার ভাপনা দিয়ে মধু ও চূর্ণসহ সেবন করলে সুকঠিন রক্তপিণ্ড রোগ আরোগ্য হয়।
২১। পাথুরী রোগেঃ গরুর দুধে হরীতকীর অস্থি (আঁটি) সিদ্ধ করে পরে ঐ আঁটি ফেলে দিয়ে পান করলে পাথুরী রোগ সেরে যায়।
১৭। কণ্ঠরোগেঃ মধুসহ হরীতকী ক্বাথ পান করলে সকল প্রকার কণ্ঠরোগ আরোগ্য হয়।
১৮। গাওয়া ঘি গরম করে এবং হরীতকী চূর্ণ সেবন করে তারপর উক্ত গরম ঘি সেবনে দেহের লাবণ্যবৃদ্ধি হয়।
১। অপক্কঃ কষায় ও মৃদুরোচক। একে জঙ্গী হরীতকী বলে।
২। পরিপক্কঃ রেচক (সামান্য হলদুবর্ণের)। আগে কেবল রং করার জন্যে হরীতকী ব্যবহারি হত। এখন ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
বাতজ্বরেঃ ত্রিফলা, অর্থাৎ, হরীতকী, বহেড়া ও আমলকী—প্রত্যেকটি সমান পরিমাণে নিয়ে মোট দুই তোলা করতে হবে। তারপর আধ সের পরিমিত পানিতে সিদ্ধ করতে হবে, মৃদুমন্দ ঘুঁটের জ্বালে। যখন পানি আধ পোয়া অবশিষ্ট থাকবে, তখন নামিয়ে সামান্য থাকতে থাকতে দুই তোলা আদার রস তাতে মিশিয়ে রোগীকে পান করাতে হবে। তিন দিন পর পর খাওয়ালে বাতজ্বর সেরে যাবে।
কফজ্বরেঃ হরীতকী, চিরতা, পলতা, গুলঞ্চ ও বাসকপাতা সমভাগে নিয়ে মোট দুই তোলা ওজন পরিমিত আধ সের পানিতে সিদ্ধ করে আধ পোয়া থাকতে নামিয়ে সেই ক্কাথ পান করলে শ্লৈষ্মিক জ্বর সেরে যায়। অথবা হরীতকী, আমলকী, বহেড়া, মুখা, কলসা, ইন্দ্রযব ও কটকী আগের পরিমাণ মত নিয়ে পূর্ব বিধিমত ক্বাথ পান করলেও কফজ্বর আরোগ্য হয়।
সন্নিপাত জ্বরেঃ হরীতকী, পিপুল, আমলকী, বহেড়া, শুঁঠ, হরানভা, মরিচ, চিরতা, গুলঞ্চ, বাসক, নিমের ছাল, পলতা ও কটকী সমভাগে দুই তোলা পরিমাণ দিতে হবে। পরে আধ সের পানিতে সিদ্ধ করে আধ পোয়া থাকতে নামিয়ে ঐ ক্বাথ সামান্য গরম অবস্থায় পান করলে সন্নিপাত সেরে যায়।
বাতপিত্ত-জ্বরেঃ হরীতকী, আমলকী, বহেড়া, রান্না, বাসকের ছাল, শিমূলের ছাল (কচি), সোঁদালের আঠা সমানভাগে দুই তোলা আগের মত গরম ক্কাথ সেবন। করলে বাতপিত্ত-জ্বর বিনষ্ট হয়। অথবা হরীতকী, কটকী, মুথা, পিপুলমূল ও সোঁদাল ফল সমপরিমাণে নিয়ে আগের মত ক্কাথ সেবনেও বাত শ্লেষ্মজ্বর সেরে যায়।
পিত্ত শ্লেষ্মজ্বরেঃ হরীতকী, নিমের ছার, বেড়েলা, যষ্টিমধু, আমলকী, পলতা পূর্বোক্ত উপায়ে ক্কাথ তৈরী করে গরম গরম সেবনে পিত্ত শ্লেষ্মজ্বর সেরে যায়।
পীহাসংযুক্ত বিষমজ্বরেঃ আড়াই তোলা পুরানা গুড়ের সাথে আধ পোয়া ত্রিফলার (হরীতকী, বহেড়া ও আমলকী) ক্কাথ সেবনে প্লীহাসংযুক্ত বিষমজর বিনাশ হয়।
নিম্নলিখিত দ্রব্যগুলোর কাথ পূর্বোক্ত উপায়ে প্রস্তুত করে কিছু পিপুলের গুঁড়া ও যবক্ষারের গুঁড়া মিশিয়ে সেবন করলে প্লীহাজ্বরে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়। হরীতকী, রয়না গাছের ছাল ও স্বল্প পঞ্চমূল (শালপাণি, চাকুলিয়া, বৃহতী, কষ্টিকারী ও গোক্ষুর প্রভৃতিতে পঞ্চমূল বলে)।
অথবা বহেড়া, লবণ, হরীতকী, দারুহরিদ্রা, গুলঞ্চ ও আমলকী আলাদা আলাদা করে চূর্ণ করে পরিষ্কার কাপড়ে ছেঁকে নিয়ে পরে চূর্ণগুলো সমপরিমাণ নিয়ে এক সাথে ভাল করে মিশাতে হবে।
বয়ঃক্রম অনুযায়ী দুই রতি থেকে আধ তোলা মাত্রা পর্যন্ত সেবনে প্লীহা-সংযুক্ত বিষমজ্বরে বিশেষ ফল পাওয়া যায়।
পুরানা জ্বরেঃ হরীতকী, আমলকী, পলতা নিমছাল, বহেড়া, সোঁদাল ও দ্রাক্ষা সমানভাবে নিয়ে মোট দুই তোলা আধ সের পানিতে সিদ্ধ করে আধ পোয়া থাকতে নামিয়ে তাতে চার আনা মাত্র চিনি মিশিয়ে সেবনে পুরানা জ্বর অবশ্যই সেরে যায়।
পুরনো জ্বরের সাথে মন্দাগ্নি, অজীর্ণ প্রভৃতি উপসর্গ থাকলে নিম্নলিখিত পাচন বিশেষ উপকারী। দশমূল, বামনহাটী, হরীতকী, পিপুল, কুড়, গুল্ম মুখা ও ক্ষেত পাপড়া পূর্বোক্ত পরিমাণে নিয়ে পূর্বোক্ত উপায়ে পাচনের ক্কাথ করে সেবনে ঐ সকল উপসর্গ দূর হয় এবং জ্বরও বিনষ্ট হয়।
বিষম জ্বরঃ হরীতকী, নিমপাতা, ঘৃত, গুগ্গুল, যব শ্বেতসর্ষে, বচ ও কুড় এ সকল দ্রব্য একত্র করে তার ধূম গ্রহণ করলে সর্বপ্রকার বিষমজ্বর ও পুরাতন জ্বর বিনাশ পায়।
আমাতিসারেঃ হরীতকী, শুণ্ঠী, ইন্দ্রযব ও আকনাদি সমভাগে নিয়ে তার পাচনের ক্কাথ সেবনে আমাতিসার আরোগ্য হয়।
অজীর্ণতেঃ হরীতকী ও পিপপলী সমভাবে মোট দুই আনা নিয়ে পাচন তৈরি করে সামান্য সৈন্ধব লবণ মিশিয়ে সেবন করতে হবে। অথবা হরীতকী, পিপ্পলী, বিপ্লবণ ও রক্ত চিরতার মূল সমভাগে নিয়ে ছাল করে চূর্ণ করে সেই চূর্ণের দু'আনা পরিমিত নিয়ে গরম পানির সাথে সেবন করলে সকল প্রকার অজীর্ণ বিদূরিত হয়।
ক্রিমিরোগেঃ নিম্নলিখিত দ্রব্যগুলো সমান পরিমাণে নিয়ে মোট দুই তোলাগুলের সাথে মর্দন করতে হবে। এই মিশ্রণ সেবনে ক্রিমি বিনষ্ট হয়।
যথা- হরীতকী, সৈন্ধব, যবক্ষার, বিড়ঙ্গ ও কমলাগুড়ি।
অশ্বমূল রোগেঃ স্বর্ণমক্ষিকা, লৌহ ও হরীতকী এ তিনটি দ্রব্য নিয়ে কিছু ঘিয়ের সাথে মিশিয়ে তুল্য পরিমাণে করলে অম্লশূল রোগে বিশেষ উপকার হয়।
বিসমিল্লাহির রাকমানির রাহিম
কথা নয় কাজেয় পরিচয়
তান্ত্রিক গুরু আজিজ রহমান জ্বীন সাধক
অবহেলা করবেন না
মানুষ মানুষের জন্য
আল্লাহ্ সর্ব শক্তিমান
তিনি দিতে পারেন সর্ব কাজের সমাধান
জিবনে কখন কাকে কাজে লাগে বলা যায় না
আপনি কি ভাবছেন আমাকে বলুন
চিকিঃসা সমূহঃ
প্রেম-ভালোবাসা ব্যাথা যারা ভোগছেন
বান-টুনা নষ্ট
স্বামী-স্ত্রী অমিল
নিঃসন্তান
বিয়ে বন্ধ
পাওনা টাকা আদায়
মনের মানুষ অবাধ্য
বিদেশে যেতে বাধা
জ্বিন-ভূতের আছর
মানসিক নষ্ট
ব্যবসা বাণিজ্যে বাধা
সংসারে অশান্তি
জায়গা-জমিন নিয়ে ঝামেলা
শক্র-দুশমন দমন করা
হারানো জিনিস বাহির করা
{12}ঘন্টার মধ্যে কাজ করে দেয়া হয়
কাজের পরে টাকা নেয়া হয়
মোবাইলের মাধ্যমে কাজ করা হয়
কৌরিয়ারের মাধ্যমে তাবিজ পাঠানো হয়
গোপোনিয় সমস্যা থাকলে বলতে পারেন
কালো জাদু ও জ্বীন চালানের মাধ্যমে কাজ করা হয় ।
নিবেদক, গুরুজি আজিজ রহমান (কামরুপি অলৌকিক পান্ডে লীলা সাধক কামরুপ কামাক্ষা)
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তে চিকিৎসা প্রদান করা হয় এবং আপনারা যে কোন দেশ বিদেশ থেকে অনলাইনে তদবীর করতে পারেন জ্বীন চালানের মাধমে তদবীর করা হয়
যে কোন কঠিন কাজ ৩/৫ দিনের মধ্যে সমাধান করা হয় ইনশাআল্লাহ আজি যোগাযোগ করুন
সরা সরি চেম্বার .খুলনা . খালিস পুর বাজার .ফোন ..01757786808।
কোন মন্তব্য নেই