ছােট বাচ্চাদের জ্বীনের আছর হইলে উহার তদবীরঃ
ছােট বাচ্চাদের জ্বীনের আছর হইলে উহার তদবীরঃ
ছােট সুন্দর বাচ্চাদের প্রতি মানুষের যেমন নজর পরে, তদ্রুপ জ্বীন-পরীরও নজর পতিত হইয়া থাকে। সেই নজরের তেজ ছােট বাচ্চারা সহ্য করতে না পারিয়া বেহুশ হইয়া পরে। তখন নিম্নোক্ত তদবীর করিলে জ্বীনের নজর দুর হইয়া বাচ্চার দুশ ফিরিয়া আসিবে।
ছােট বাচ্চাদের প্রতি জ্বীনের নজর পতিত হইলে নিম্নোক্ত দোয়াটি সাতবার পাঠ করিয়া প্রতিবারে বাচ্চার বাম কর্ণে ফুকদিবে। ইহাতে বাচ্চার হুশ ফিরিয়া আসিবে। যদি ইহাতে বাচ্চার হুশ ফিরিয়া না আসে, তবে, একবার সুরা ফাতেহা, একবার সুরা ফালাক, একবার সুরা নাছ ও তিনবার আয়াতুল কুরছি পাঠ করিয়া বাচ্চার শরীরের উপর কুঁক দিবে। ইনশাআল্লাহ, জ্বীনের নজর পতিত হইয়া থাকিলে ইহাতে জ্বীনের আছর দূর হইয়া বাচ্চার হুশ হইবে। আর যদি বাচ্চার দুশ না হয়, তখন মনে করিবে যে, বাচ্চার অন্য রােগ হইয়াছে। সে অবস্থায় ভাল ডাক্তার দ্বারা চিকিৎসা করাইবে।
• কিতাবঃ আল কোরআন
• সুরাঃ ফাতেহা
• সুরাঃ ফালাক
• সুরাঃ নাস
• সুরা বাকারার ২৫৫ নং আয়াত (আয়াতুল কুরছি)
• সুরাঃ ছােয়াদ ৩৪ নং আয়াত
সূরা ছােয়াদ; আয়াত: ৩৪ এইঃ-
ওয়া লাকাদ ফাতান্না-সুলাইমানা ওয়া আলকায়না আলা-কুরছিইয়িহী জাহাদান ছুম্মা অনাবা
আমি সােলায়মানকে পরীক্ষা করলাম এবং রেখে দিলাম তার সিংহাসনের উপর একটি নিষ্প্রাণ দেহ। অতঃপর সে রুজু হল।
আয়াতে কুতুবীর ফজিলতঃ
วิธีรักษาเก๊าท์เฉียบพลัน
পবিত্র কোরআন শরীফের সুরা, আলে ইমরানের ১৫৪ এবং ১৫৫ আয়াত দুইটি আয়াতে কুতুব’ নামে প্রসিদ্ধ।
• কিতাবঃ আল কোরআন
মানুষের মউত ও অদৃষ্ট যে আল্লাহর পূর্ণ এখতিয়ারে, তাহা এই আয়াতে উল্লেখিত হইয়াছে। এই আয়াতে ঘােষিত হইয়াছে, আল্লাহর কলম অখণ্ডনীয়। যাহার যেখানে মউত স্থিরীকৃত, সেই অপ্রতিরােধ্য মৃত্যুর আহবানে তাহাকে তথায় হাজির হইতে হইবেই হইবে। তিনি মানবের মনের সমুদয় অবস্থা পরিজ্ঞাত আছেন। এই আয়াত জেকের করার সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহর যে অমিত শক্তি, অসীম কুদরত আছে, তাহা ইয়াদ হয় এবং আল্লাহতে সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণের প্রবণতা প্রবল বেগে জাগ্রত হয় তাই এই আয়াতের আমল দ্বারা আমলকারীর প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ নাজিল হয়।
কিতাবঃ আল কোরআন
• সুরাঃ আল ইমরান
• আয়াতঃ ১৫৪ থেকে ১৫৫ নং আয়াত পর্যন্ত।
• এই আয়াতের আরও গুণ যে, ফজর ও মাগরেবের বাদ এই আয়াত পাঠ করিলে আমলকারীর পরিবার-পরিজন নির্বিঘ্নে বাস করিবে।
• ১১ বার এই আয়াত পাঠ করে সরিষার তৈলের উপর ফু দিবে এবং জ্বিন ও ভূতের দৃষ্টিপ্রাপ্ত রােগীর দেহে মালিশ করিলে ইন্শাআল্লাহ আছর বিতাড়িত হইবে। এই আয়াতে আল্লাহর সর্বোত্তম এবং সর্বোপরি শক্তিমত্তা ঘােষণা করা হয় বলিয়া জ্বীন ও ভূতের ক্ষমতা নিশ্চিহ্ন হয়।
৩৩ আয়াতের আমলঃ
৩৩ আয়াত পড়ে রােগীকে দম করলে জ্বিন পলায়ন করবে। পানিতে পড়ে ছিটিয়ে দিলে তথায় জ্বিন ও শয়তান থাকতে পারে না।
তেত্রিশ আয়াতের ফযীলতঃ
ইবনে নাজ্জার রহ. যাইলু তরিখি বাগদাদ গ্রন্থে (৩/২৫৩-২৫৫) বর্ণনা করেছেন যে, ইবনে সিরীন রহ. বলেছেন, আমরা নাহরে তাইরী’তে অবতরণ করলাম। সেখানকার লােকেরা আমাদেরকে বলল, তােমরা। চলে যাও কেননা এখানে যারাই অবস্থান করেছে তাদের মাল ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। আমার সকল সাথী চলে গেল।
কিন্তু আমি হযরত ইবনে উমর রা. এর সূত্রে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত হাদীসটির কারণে থেকে গেলাম। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি রাতের বেলা তেত্রিশ আয়াত পড়বে তাকে কোনাে হিংস্র জন্তু অথবা আগন্তুক চোর ক্ষতি করতে পারবে না। আর সকাল পর্যন্ত তাকে এবং তার পরিবার-পরিজন এবং তার মালকে রক্ষা করা হবে।
রাতের বেলা আমি ঘুমালাম না। আমি দেখতে পেলাম, তারা ত্রিশ বারেরও বেশি তলােয়ার খাপমুক্ত করে এসেছে কিন্তু আমার কাছে পৌঁছতে পারেনি। সকালবেলা আমি চলতে শুরু করলাম, তখন তাদের এক সর্দার আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বলল, তুমি মানুষ না জ্বীন। আমি বললাম মানুষ। সে বলল আমরা সত্তরবারের বেশি তােমার কাছে আসলাম, যখনই এসেছি তােমার এবং আমাদের মাঝে লােহার একটি দেয়াল বাধা হয়ে দাড়িয়েছে। আমি তাকে উপরােক্ত হাদীসটি শুনালাম।
তেত্রিশ আয়াত হচ্ছেঃ
- সূরাঃ বাকারা ১-৫
- সূরাঃ বাক্কারা ২৫৫-২৫৭
- সূরাঃ বাক্কারা ২৮৪-২৮৬
- সূরাঃ আ'রাফ:৫৪-৫৬
- সূরাঃ ইসরা:১১০-১১১
- সূরাঃ সাফফাত:১-১১
- সূরাঃ আর রাহমান:৩৩-৩৫
- সূরাঃ হাশর:২১-২৪
- সূরাঃ জ্বীন:১-৪
ইবনে সীরীন বলেন, আমি এই হাদীস সম্পর্কে শুআইব ইবনে হারবকে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন, আমরা এটাকে 'আয়াতুল হিরয' বলি। বলা হয়, এতে একশত অসুখ থেকে মুক্তি রয়েছে। এরপর তিনি এগুলাের মধ্যে পাগলামী, কোষ্ঠরােগ ইত্যদির কথা উল্লেখ করলেন।
মুহাম্মদ বিন আলী বলেন, আমাদের এক শায়খের অর্ধাঙ্গ হলে আমি তা পাঠ করলাম। আল্লাহ তাআলা এর উসিলায় তার রােগ দূর করে দিলেন। যাইলু তরিখি বাগদাদ, ইবনে নাজ্জার,: ৩/২৫৩-২৫৫ আদ দুররুল মানছুর, সুয়ুতী:১/১৫০-১৫২) উপরে হযরত ইবনে উমরা. থেকে যে হাদীস বর্ণিত হয়েছে সনদের বিচারে হাদীসটি দুর্বল। তবে ফযীলত বর্ণনার ক্ষেত্রে যেহেতু মুহাদ্দিসীনে কেরামের দিদ্ধান্ত অনুযায়ী কিছু শর্ত সাপেক্ষে দুর্বল হাদীস গ্রহণযােগ্য। তাই উক্ত হাদীসের উপর আমল করতে কোনাে অসুবিধা নেই।
তেত্রিশ আয়াত বা আয়াতুল হিরষ অথবা আয়াতুল হারব এর ফযীলত সম্পর্কে এতটুই পাওয়া যায়।
এছাড়া অভিজ্ঞতার আলােকেও এর অনেক উপকারিতা প্রত্যক্ষ করা গেছে। যেমন আমালে কোরআনী গ্রন্থে আছে এগুলাে যথারীত পাঠ করলে যাদু-টুনা, ভূত, দেও দানব, চুর-ডাকাত, এবং সকল প্রকার আপদ-বিপদ দূর হয়। তাছাড়া এই তেত্রিশ আয়াতের মধ্যে আয়াতুল কুরসীও রয়েছে। রাতে শয়তানের আক্রমন থেকে বাঁচার জন্য নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা পাঠ করার কথা বলেছেন, যা সহীহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। সুতরাং শয়তান, জ্বীন, যাদু-টুনা ইত্যাদি থেকে রক্ষার জন্য এটি পড়তে কোন অসুবিধা নেই।
এখানে কূফী গণনা অনুযায়ী সর্বমােট ৩৮ টি আয়াত উল্লেখ করা হয়েছে।
তেত্রিশ আয়াত বলতে এগুলােই বুঝায়। ৩৮ আয়াতকে তেত্রিশ আয়াত বলার কারণ আয়াত সংখ্যার মধ্যে মতানৈক্য।
হয়তাে অন্য কোনাে গণনা অনুযায়ী সর্বমােট তেত্রিশ আয়াত হয়, তাই তেত্রিশ আয়াত হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। যদিও এগুলাের শুরুতে সূরা ফাতেহা এবং শেষে চারকুল (কাফরুন, এখলাস, ফালাক, নাস) পড়া তেত্রিশ আয়াতের অন্তর্ভুক্ত নয় তথাপি শাহ ওয়ালী উল্লাহর. এগুলাে মিলিয়ে পড়তে পছন্দ করতেন যেমনটি 'শিফাউল আলীল' গ্রন্থে রয়েছে। তাই এগুলাে পড়ে নেয়া ভাল। কেননা হাদীস শরীফে এগুলােরও অনেক ফযীলত বর্ণিত হয়েছে।
আপনাদের যে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য মায়াজাল মন্ত্রগুরু আছে আপনার পাসে অনেক তান্ত্রিক কবিরাজ এর কাছে ঘুরে অনেক টাকা 💸
নষ্ট করেছেন কোন ভালো ফলাফল পাননি
আজি আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন তান্ত্রিক জগতে ১০০%লিখিত গ্যারান্টিতে তদবির করতে পারেন তন্ত্র মন্ত্র কালো যাদু তাবিজ টোটকাওজ্বিন
চালানের মাধ্যমে তদবির করা হয় যে কোন কঠিন কাজ ৩/৫ দিনের মধ্যেই সমাধান ইনশাআল্লাহ। আপনারা যে কোন দেশ বা জেলা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে তদবির করতে পারেন জ্বীন চালানোর মাধ্যমে তদবির করা হয়
তান্ত্রিক গুরু আজিজ রহমান জ্বিন সাধক
☆বশীকরন বিদ্যা☆☆
☞ প্রেমিক/প্রমিকা বশীকরন 24 ঘন্টায় ৷
☞ স্বামী/স্ত্রী বশীকরন করতে চান?
☞ পরকীয়া ঠেকাতে চান?
☞ হারানো ব্যাক্তিকে ফিরে পেতে চান?
☞ কাঙ্খিত ব্যাক্তির সাথে আপোষ করতে চান?
☞ শত্রুকে বিনাশ করতে চান!
☞ সন্তান হচ্ছেনা?
☞ বিবাহ হচ্ছেনা?
☞ কাউকে মতিভ্রম পাগল বানাতে চান?
☞ বিবাহ বিচ্ছেদ করতে চান
** অবৌধ সম্পর্ক বিচ্ছেদ করতে চান / /*প্রেম ভালোবাসা ব্যর্থ
/★/ স্বামী,স্তীর অমিল সংসারে অশান্তি ★
/★/ মনের মানুষকে প্রমে বা বিবাহে রাজি করা
/★/ স্বামী, স্তীর অবধ্য সম্পক নষ্ট করা ★
/★/ দুই ব্যক্তির মধে বিচ্ছেদ করা ★
/★/ যে মহিলাদের ছেলে সন্তান হয় না তদবির দেয়া
/★/ ছেলে মেয়ের লেখা পরায় মন বসে না ★
/★/ পরীখায় ও মামলায় জয় লাভ ★
/★/ যাদু টোনা জ্বিন পরীর আচর থেকে চির মুক্তি
/★/ যে কোন জটিল ও কঠিন রোগ থেকে মুক্তি★
/★/ শত্রুর হাত থেকে মুক্তি
/★/ শত্রুকে বান মারণ ও খতি করা ★
/★/ নিখুজ বা পালাতক ব্যক্তি কে হাজির
/★/ চোর ধরাও চোরকে চিনার তদবির ★
/★/ চোরা ই মামা মাল ফিরে পাবার তদবির ★
/★/ জুয়া বা লটারী জয় লাভ করার তদবির ★
/ ★মামলায় জয় লাভ করা
/★ চাকরী হয়না চাকরী লাভের তদবির
/★/ শুভ কাজে বাধা বিবাহে বাধ্যা
/★ শনীর ধশা থেকে মুক্তি
/★ দেকানে বেচা কিনা হয় না
/★ প্রেমিক প্রিকার বিবাহ বন্ধ করার তদবির
/★ অবৌধ সম্পর্ক বিচ্ছেদ করা।
আরো যে কোন সমসা সমাধান পেতে
সরাসরি কল করুন ☎ +88 01757786808/
সম্মানিত ভিজিটর আপনি কি দৈনন্দিন জীবনে হতাশা গ্রস্থ কিংবা চিন্তা টেনশনে মানসিক রোগা হয়ে গেছেন?
তাহলে আর দেরী না করে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন ৷
বর্তমান সময়ের সব থেকে সুপার পাওয়ার ব্ল্যাক ম্যাজিক এবং জ্বিন শক্তি পরী শক্তি অলৌকিক রুহানি শক্তি আধ্যাতিক কুন্ডলি শক্তির মাধ্যমে বান বশীকরন শতভাগ গ্যারান্টি নিশ্চয়তা সহকারে আপনাকে উপযুক্ত মর্যাদা উপযুক্ত ফলাফল প্রদান করা হবে ৷
নিবেদক, গুরুজি আজিজ রহমান (কামরুপি অলৌকিক পান্ডে লীলা সাধক কামরুপ কামাক্ষা)
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তে চিকিৎসা প্রদান করা হয় এবং আপনারা যে কোন দেশ বিদেশ থেকে অনলাইনে তদবীর করতে পারেন জ্বীন চালানের মাধমে তদবীর করা হয়
যে কোন কঠিন কাজ ৩/৫ দিনের মধ্যে সমাধান করা হয় ইনশাআল্লাহ আজি যোগাযোগ করুন ধন্যবাদ।
সরা সরি চেম্বার .খুলনা . খালিস পুর বাজার .ফোন ..01757786808/
কোন মন্তব্য নেই