ত্রাটক সাধনা আসলে কি এবং এটা দিয়ে কি করা যায়?
আমার কাছে অনেকে জানতে চেয়েছেন- যে ত্রাটক সাধনা টা আসলে কি এবং এটা দিয়ে কি করা যায়? আসলে খুব অল্প কথা এটা বলা যে কার ও পক্ষে মুশকিল আমার পক্ষেও তাই। তবে এতোটুকু বলবো যারা বাংলাদেশে কোয়ান্টাম শিখেছে তাদের বুঝতে কিছুটা সুবিধা হবে যে কোয়ান্টাম মেথডের সাথে ত্রাটকের কিছু সাদৃশ্য রয়েছে। তবে আমাদের দেশে সব কিছুতেই রয়েছে ভেজাল- যেমন কোয়ান্টামের শক্তি সর্ম্পকে বলতে গেলে’ই তা শেষ করা যাবে না। কিন্তু আমাদের দেশে যে নিয়মে কোয়ান্টাম প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় তা মুলত কোন ব্যক্তির শক্তি স্বত্বাকে একটি খাচার ভিতর বন্দি করে তাকে নির্দিষ্ট একটি গন্ডির মধ্যে পরিপূর্ণ ভাবে আবদ্ধ রাখা হয়, যা থেকে সে আর বের হতে পারে না, এবং তার শক্তির কোন ব্যবহার সে করতে পারে না। তবে আমাদের দেশের জন্য হয়তো এটাই ঠিক কারন এখানে যদি কেউ কোয়ান্টাম করে তার নিজের শক্তি ব্যবহার করার ক্ষমতা অর্জন করে তবে সে হয় মহামানব হবে নতুবা হবে সাক্ষাৎ শয়তান- তাই সমাজ ও দেশের মঙ্গলের জন্য এটাই হয়তো ঠিক প্রশিক্ষণ কৌশল। যা হোক ত্রাটক সর্ম্পকে আমি সাধারনত বলতে পারি পূর্ব কালের মনি ঋষিগন যে চীন তিব্বতের সাধকগন যে গোপন সাধনার দ্বারা সমস্ত অলৌকিক কর্ম সম্পাদন করতেন তার আধুনিকায়ন হচ্ছে ত্রাটক। এই বিদ্যা যদি আপনি আয়ত্ব করতে পারেন তবে আপনি আর সাধারন মানুষ থাকবেন না।এখানে একটি বিষয় বলে রাখা ভালো- যে কোন সাধনায় আপনি যদি পরিপূর্ন ভাবে সমাপ্ত করতে না পারেন তবে তা আপনার কোনই কাজে আসবে না। ফলাফল শুন্যের কোঠায় কিন্তু ত্রাটক এমন একটি বিদ্যা যা শিখলে এক সপ্তাহের ব্যবধানে আপনি অনেক কিছু করতে পারবেন যা আপনার কল্পনার বাইরে আর সর্ম্পূণ শিখতে পারলে তো হয় আপনি মহামানব নতুবা শয়তান হবেন এটা নিশ্চিত তবে আমার জানামতে অধিকাংশ সাধক কেহই আজ অব্দি সর্ম্পূণ শেষ করতে পারেনি- কারনটা অবশ্য প্রতি জনার নিজেস্ব। তবে আপনি যদি প্রচন্ড জেদি, ধৈর্যশীল হয়ে থাকেন তবে আপনি হয়তো পারতে পারেন।*
🔘আর এটা শিখলে আপনি কি কি পারবেন –
★আপনি আপনার স্বানির্ধে আসা যে কোন ব্যাক্তির মনের কথা বলতে পারবেন।
★আপনি আপনার সামনে বসে/ শুয়ে থাকা অসুস্থ্য ব্যক্তির জটিল সমস্য যেমন তিব্র ব্যাথা বা অনিদ্রা বা প্রচন্ড মল /মুত্রের চাপ থেকে মুক্তি দিতে পারবেন।আপনি যে কোন ব্যক্তির মনোদৈহিক সকল অসুখ সারিয়ে তুলতে পারবেন।
★আপনি দুরে দাড়িয়ে অন্যের অলক্ষে কোন ব্যক্তিকে (মহিলা / মেয়ে )ডাকতে বা তার গাঁ থেকে কাপড় ফেলে দিতে পারবেন।
★আপনি স্বপ্নের মাধ্যমে যে কোন ব্যক্তির কাছে কোন খবর/ ম্যাসেজ পাঠাতে পারবেন।
★আপনি যে কোন প্রানী বা ব্যক্তিকে আকর্ষিত করতে পারবেন।
★আপনি আপনার ঘুম নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।
★আপনার শরিরকে করতে পারবেন সর্ম্পূন বায়োলজিক্যল ঘড়ি।আপনার শরিরের যাবতিয় ব্যথা বেদনাকে নিজেই নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।
★আপনি মহিলাদের গর্ভপাত বা গর্ভ সমস্য (উল্টো প্রসব ) নিমিষেই স্বাভাবিক করতে পারবেন।শরিলের রক্তপাত নিজেই নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন।
★যে কোন অবুঝ প্রানীকে বশ্যতা স্বীকার করাতে পারবেন।
★অবিরাম কোন পরিশ্রমপূর্ন কাজ করার পরেও অ – ক্লান্ত থাকতে পারবেন।
★আপনার মুখস্ত শক্তিকে ১০ জন ব্যাক্তির সমান করতে পারবেন।
★আপনি অপর ব্যক্তিকে আপনাকে কল / মেইল /চিঠি দিতে বাধ্য করতে পারেন।
★আপনি কোন ব্যাক্তিকে দিয়ে ভবিষ্যতে কোনদিন কোন নির্দিষ্ট সময় কোন নিদির্ষ্ট কাজ করাতে পারেন।
★আপনি চাইলেই কারও ক্ষতি হবে, চাইলেই কারও ভালো হবে।
★আপনার মুখ থেকে বের হওয়া প্রতিটি কথাই (সাঠিক না হলেও ) সঠিক হবে।
★আপনার সর্ম্পকে যে ব্যাক্তি খারাপ চিন্তা করবে তার নিজরেই অমঙ্গল হবে।আপনি লোকের কাছে আদরনীয় হতে পারবেন।
★আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্রমেই উন্নতি এবং চরম উন্নতি করতে পারবেন।
★দুজন ব্যাক্তির মধুর সর্ম্পক্য আপনি নিমিষেই নষ্ট করতে পারবেন।
★বাস ট্রেন বা লঞ্চ /নৌকা আপনি চাইলে যে কোন স্থানে থামাতে পারবেন।
সর্বপরি আপনি এমন কিছু অনায়েসেই করতে পারবেন যা আপনি হয়তো স্বপ্নেও কখনো ভাবেন নাই।-----------------------------------------
কোন মন্তব্য নেই